Search This Blog

Saturday, February 18, 2017

বিজ্ঞান ও আধুনিক সভ্যতা /আধুনিক জীবন ও বিজ্ঞান /মানবকল্যাণে বিজ্ঞান /বিজ্ঞান / দৈনন্দিন কাজে বিজ্ঞান / মানবকল্যাণে বিজ্ঞানের অবদান / বিজ্ঞান ও আজকের জীবন / মানবকল্যাণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিজ্ঞান ও আধুনিক সভ্যতা /আধুনিক জীবন ও বিজ্ঞান /মানবকল্যাণে বিজ্ঞান /বিজ্ঞান / দৈনন্দিন কাজে বিজ্ঞান / মানবকল্যাণে বিজ্ঞানের অবদান / বিজ্ঞান ও আজকের জীবন / মানবকল্যাণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ভূমিকা
বর্তমান সভ্যতা মানুষের বহু শতাব্দীর স্বপ্ন ও সাধনার ক্রম পরিণাম। মানুষ তার যুগ-যুগান্তরের স্বপ্ন ও সাধনার অনবদ্য ফসল দিয়ে গড়ে তুলেছে সভ্যতার এই বিশাল ভাণ্ডার। আপনার প্রাণশক্তি তিলে-তিলে দান করে বুকের রক্ত বিন্দু ঢেলে দিয়ে সে রচনা করছে সভ্যতার এই তিলোত্তমা মূর্তি। সে সভ্যতার বেদিমূলে দিয়েছে তাঁর বাহুর শক্তি, মস্তিষ্কের বুদ্ধি, ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি এবং হৃদয়ের ভালোবাসা। আজ বিজ্ঞান দুর্জয় হলেও পৃথিবীতে তার ভূমিকা হয়েছিল অত্যন্ত দীনভাবে। সর্বত্যাগী জ্ঞান তপস্বীদের যুগ-যুগান্তরের সাধনায়
বিজ্ঞান রূপকথার  দৈত্যপুরী থেকে সংগ্রহ করেছে সোনার কাঠি এবং রুপার কাঠি।
বিজ্ঞানের জয়ধ্বনি
এইতো সেদিন অরণ্যচারী, গৃহবাসী মানুষ আকাশে মেঘ-বিদ্যুৎ দেখলে ভয়ে শিহরিত হত। আজ বিজ্ঞানের বলে বলীয়ান হয়ে-মেঘকে করেছে বশীভূত বিদ্যুৎকে করছে পদানত।
বিজ্ঞানের বলে মানুষ আজ খনির অন্ধকারে আলো জ্বেলেছে। ঘুম ভাঙিয়েছে পাতালপুরীর রাজকন্যার। দৈত্যপুরীর বন্দীশালা থেকে মুক্ত করে এনে তাকে আপন পরিকল্পনা দিয়ে সাজিয়েছে। উদ্ভাবন করেছে উৎপাদনের নবনব উপকরণ। পৃথিবীর শৈশবের জড়তা কাটিয়ে এনে দিয়েছে যৌবনের অফুরন্ত উল্লাস। বিজ্ঞানের শক্তি বলে বলীয়ান মানুষ উচ্ছৃঙ্খল নদী স্রোতকে বশীভূত করে উষ্ণ মরুপ্রান্তর কে করেছে জলসিক্ত। ভূগর্ভের সঞ্চিত শস্য-সম্ভাবনাকে করে তুলেছে সফল। দূর করে দিয়েছে অহল্যাধরিত্রির অনুর্বরতার অভিশাপ। নব নব শিল্প প্রকরণে উৎপাদন জগতে সে এনেছে যুগান্তর; সুদূরকে করেছে নিকটতম। বিজ্ঞানের আশীর্বাদে বসুন্ধরা আজ কলহাস্যে মুখরা।
মানবজীবনে বিজ্ঞান
প্রাগৈতিহাসিক মানবের অগ্নি আবিষ্কারের দিন থেকে মানবজীবনে আধুনিক যুগ পর্যন্ত মানুষের অতন্দ্র সাধনা বিজ্ঞানকে করেছে সমৃদ্ধ। সভ্যতাকে করেছে জঙ্গম। মুঠোর মধ্যে এখন তার পারমাণবিক শক্তি। ডাঙায় ছুটছে মোটর ট্রেন। জলে ঢেউয়ের ঝুঁটি ঝাপটে ধরে জাহাজ চলছে ছুটে। আকাশে তোলপাড় করে উড়ে চলছে, শব্দের চেয়েও দ্রুতগামী বিমানপোত। মহাশূন্য পাড়ি দিচ্ছে রকেট স্ফুটনিক আকাশযান।
আজ জীবনের সর্বক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবিসংবাদিত প্রভুত্ব। প্রভাতের শয্যা ত্যাগ থেকে নিশীথের শয্যা গ্রহণ পর্যন্ত বিজ্ঞান মানুষের অত্যন্ত অনুগত অনুচর। বেতারের প্রভাতী ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে ঘুম ভাঙলো তার। বিজ্ঞানের দাক্ষিণ্যে ততক্ষণে নলের ভেতর দিয়ে পানি এসে গেছে। প্রয়োজন মতো কখনো উষ্ণ কখনো শীতল। মাথার উপর ঘুরছে পাখা। রেডিও শোনাচ্ছে বিচিত্র সুরের গান। কোথাও বা দূর-দূরান্তের ছবি ও বাণী চোখের সামনে উদ্ভাসিত হল টেলিভিশনের পর্দায়। প্রতিদিন বাজারে যাবার প্রয়োজন নেই । ফ্রিজের মধ্যে পুরো বাজার অবিকৃত, অবিকল। এদিকে চা-কফির পানি গরম হচ্ছে বৈদ্যুতিক বা গ্যাসের চুলোয়। প্রস্তুত ভোরের নাস্তা। সম্মুখের টেবিলে সংরক্ষিত সংবাদপত্র। এসবই সম্ভব হয়েছে বিজ্ঞানের অবদানে। একপাশে নীরব টেলিফোন অথবা মুঠোফোনটি বেজে উঠল। কেউ একজন সাক্ষাত করতে চায়। অতিথির সঙ্গে আলাপান্তে ঘড়িতে পড়লো চোখ। ও দিকে, বিজ্ঞানের হাতে বাথরুমের গোসলের পানি প্রস্তুত। বাইরে যেতে হবে। পোশাক পরিচ্ছদ আগে থেকেই ওয়াশিং মেশিনে কেচে ইলেকট্রনিক ইস্ত্রিতে ইস্ত্রি করে রাখা হলো পরিপাটি করে। বিজ্ঞানের কল্যাণে তারো প্রয়োজন হয় না। যাই হোক দুয়ারে প্রস্তুত গাড়ি। সে সৌভাগ্য যাদের নেই তাদের জন্যে আছে ট্রেন বাস, ট্রাম, অফিসে আলো জ্বলছে, পাখা ঘুরছে কোনো অফিস আবার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। বাটন চাপার সাথে সাথে উর্ধ্বালোক থেকে রথ নেমে এলো যার নাম লিফট। সেই লিফট তাকে নামিয়ে দিল অফিসের দ্বারপ্রান্তে। টাইপ রাইটারে চিঠিপত্র টাইপ হচ্ছে। কম্পিউটারে রক্ষিত হচ্ছে হিসাব। ছুটির পরে আমোদ প্রমোদের জন্যে আছে সিনেমা বায়োস্কোপ। ইতোমধ্যে অসুস্থ বোধ করলে আছে ডাক্তারখানা- ওষুধ।
শরীর ও স্থাস্থ্য দৈনন্দিন জীবনে চিকিৎসা বিজ্ঞান: চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিস্ময়কর অগ্রগতি সমাজের চেহারাই যেন বদলে দিয়েছে। আশ্চর্য সব ঔষধ আবিষ্কারের ফলে সমাজের লক্ষ লক্ষ রুগ্ন মুমূর্ষু আজ নতুন আশার আলোকে সঞ্জীবিত। লুই পাস্তুরের জলাতঙ্ক নিরোধ টিকা থেকে দুরারোগ্য ক্যান্সার নিরোধ পর্যন্ত আজ সম্ভব হচ্ছে অকাল মৃত্যুকে ঠেকিয়ে দেয়ার বিজ্ঞানের সফলতা। সম্প্রতি ইংল্যান্ডে বিজ্ঞানীদের সফলতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে, তাদের আবি®কৃত যন্তু শ্বাস-প্রশ্বাস থেকে রোগ নির্ণয় ও সমাধানে। আজ বহু মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনে চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাহায্য নেবার ঘটনাকে নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের মতোই স্বাভাবিক মনে করে। কারো মাথা ব্যথা ধরলে বা গা ম্যাজম্যাজ করলে এমনকি চিকিৎসকের কাছে পরামর্শ করারও দরকার মনে করে না। কিছু ওষুধকে মানুষ এখন খাদ্য সামগ্রীর মতোই সহজ মনে গ্রহণ করে।
ইঞ্জিনিয়ারিং কলাকৌশল
দৈনন্দিন জীবনে ইঞ্জিনিয়ারিং কলাকৌশলের প্রভাবও অপরিসীম। সারা দুনিয়া জুড়ে নানা ধরনের লক্ষ লক্ষ ইমারত গড়ে উঠেছে। সেখানে মানুষকে আয়েশে রাখার রয়েছে নিরন্তর চেষ্টা। দেখতে দেখতে পাহাড় কেটে রাস্তা নির্মাণ করছে মানুষ। টানেল গড়ছে বানাচ্ছে সেতু। খরস্রোতা নদী, দুর্গম বনপথ ও ভয়ঙ্কর মরুপথ প্রান্তরকে যেন অবলীলাক্রমে অতিক্রম করছে মানুষেরই গড়া পথ। এছাড়া দেশে দেশে কত কলকারখানা যন্ত্রদানব আর পণ্যলক্ষ্মী। ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের সময় থেকে পৃথিবীর যন্ত্রযুগের সূত্রপাত। কালে কালে বিজ্ঞান সেই যন্ত্রের ঘটেছে কত রূপ রূপান্তর, তার চালক শক্তির ঘটেছে কত পরিবর্তন। তার চালক শক্তির স্থান কখনো নিয়েছে পশু কখনো বায়ু কখনো বাষ্প, কখনো বৈদ্যুতিক শক্তি। সর্বশেষে পারমাণবিক শক্তি। আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপের দুর্বার দৈত্যের মতো যন্ত্র তার শক্তি বলে পাহাড় ভেঙে বাসা বানিয়েছে, বিশাল যমুনা নদীতে সেতু নির্মাণ করে তটযুগলকে বেঁধেছে সেতু বন্ধনে। জল-স্থল অন্তরীক্ষ জয় করে এনে দিয়েছে আমাদের দুয়ারে। তাছাড়া সে কৃষিকে করেছে শস্যশ্যামলিনী, শিল্পকে করেছে অধিক ফলদায়ী পথ ও পরিবহনকে করেছে সুদূরাভিসারী।
মানুষের শ্রম লাঘবে শারীরিক-মানসিক কাজে বিজ্ঞান
এতকাল যন্ত্র মানুষের দেহের শ্রম লাঘব করে তাকে মুক্তি দিয়েছিল শ্রমসাধ্য কাজের হাত থেকে। বিংশ শতকের বিজ্ঞান ইলেকট্রনিকস বংশোদ্ভূত কম্পিউটার আবিষ্কার করে তার বুদ্ধিও চিন্তার জগতে শুরু করেছে অবাধ পদচারণা। সে এখন বিশাল সংখ্যা সম্বলিত গাণিতিক যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগের নির্ভুল সমাধান নিমিষে করে দিতে পারে। এইভাবে যন্ত্রগণক নীরস হিসাব-নিকাশ ও বিরক্তিকর অঙ্ককষার যন্ত্রনার হাত থেকে মানুষকে অব্যাহতি দিয়েছে। শুধু তাই নয়, যখন বিশৃঙ্খল ঘটনাপুঞ্জের অবর্ননীয় ভিড়ে উ™£ান্ত মানুষের কাছে সত্য নিরূপণ হয়ে পড়ে সুদূরপরাহত। যখন সংগৃহীত বহুবিচিত্র তথ্যাবলির পঞ্জীভূত স্তূপের মধ্য থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ তার কাছে হয়ে পড়ে সাধ্যাতীত, তখন কম্প্যুটার তাকে অন্তরঙ্গবন্ধুর মত জানিয়ে দেয় নির্ভুল পথ নির্দেশ। স্নায়বিক চাপ থেকে মুক্ত করে সে দিয়েছে শান্তির ঠিকানা।
মানব বিরোধী ভূমিকায় বিজ্ঞান ফ্রাঙ্কেনস্টাইন
মানুষই-বিজ্ঞানের স্রষ্টা, যন্ত্রের প্রাণ প্রতিষ্ঠাতা। সে তিলে তিলে তার জ্ঞান বুদ্ধি ও ক্লান্তিহীন তপস্যা দিয়ে সমৃদ্ধ করে তুলেছে তাকে। বিজ্ঞানের সমৃদ্ধির ফলে আধুনিক সভ্যতা হয়ে উঠেছে প্রাণোচ্ছল হাস্যমুখর। কিন্তু বিজ্ঞান যে সভ্যতার শরীরে জীবন প্রতিষ্ঠা করেছে, আজ তারই বিনাশে সে মেতে উঠেছে রুধির তৃষাতুরা ছিন্নমস্তার মতো। মানুষের সৃষ্ট বিজ্ঞান আজ মানুষকেই গেছে ছাড়িয়ে। আজ মানুষের বিরুদ্ধে তার সৃষ্টি বিদ্রোহী হয়ে ভয়ঙ্কর ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের মতো তার বুকে পদ স্থাপনে উদ্যত হয়েছে। শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করার জন্য লিপ্ত হয়েছে ধ্বংসাত্মক চক্রান্তে। নিত্য নতুন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে স্টার ওয়ারবা নক্ষত্র যুদ্ধের আয়োজন করে মানুষের শিয়রে মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে সে হাজির হয়েছে। বিংশ শতাব্দীতে সংঘটিত দুটো বিশ্ব যুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসলীলা বিজ্ঞানের দানবীয় শক্তি সমন্ধে মানুষের মনে এনে দিয়েছে এক ঘোরতর আতঙ্ক! বিজ্ঞান আজ কী চায়? জীবন না মৃত্যু? সেকি আজ পৃথিবীতে মানবজাতির কবরভূমি রচনা করতে চায়? পৃথিবীর মানুষের মনে আজ জেগেছে এই অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রভাব মানুষের শুধু যে কল্যাণ করেছে তা নয়, অনেক ক্ষেত্রে কিছু কিছু অকল্যাণকেও ডেকে আনছে। যন্ত্রের উপর অতিরিক্ত নির্ভর করতে গিয়ে মানুষ ক্রমশই হয়ে উঠছে শ্রমবিমুখ। সে মানসিক পরিশ্রম যে পরিমাণে করছে, শারীরিক পরিশ্রম করছে সে তুলনায় কম। ফলে তার জীবনে নতুন কিছু রোগ ও উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। তার মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এবং এসব কিছুর চেয়েও বড় কথা তার জীবনে কৃত্রিমতা ঘনীভূত হচ্ছে। প্রকৃতির ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত কাজ করার ফলে তার দেহ ও মনের স্বাভাবিক কিছু প্রবৃত্তি ক্রমশই যেনো ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে। সমাজের বাইরের জৌলুস বাড়ছে কিন্তু সে অনুপাতে স্নেহ-প্রেম-মায়া-মমতা ইত্যাদি মানুষের সদগুণগুলোর বিকাশ ঘটছে না। মানুষে মানুষে ও মানুষে প্রকৃতিতে বিভেদ বাড়ছে ক্রমাগত আর মানুষ হয়ে উঠছে যান্ত্রিক। এছাড়া সমস্যার অন্যদিকও আছে। আর্থিক সঙ্গতির অভাবের ফলে পৃথিবীর বহুদেশের কোটি কোটি মানুষ তাদের প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞানের নানাবধি আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত। বিজ্ঞান-বিদ্যার কাছ থেকে আরাম আয়েসের উপকরণ পাওয়াতো দূরের কথা, তাদের দুবেলা দুমুঠো অন্ন পর্যন্ত জোটে না। কিন্তু দোষ কার? বিজ্ঞানের না যারা বিজ্ঞানকে স্বার্থলোলুপ দানবীয় প্রবৃত্তি চরিতার্থতার জন্য প্রয়োগ করে তারা? সেই স্বার্থপর নর পিশাচাদের হাতেই বিজ্ঞান বারে বারে তার কল্যাণ ব্রত থেকে ভ্রষ্ট হয়ে পৃথিবীতে করছে নরমেধ যজ্ঞের আয়োজন।
উপসংহার
একবিংশ শতাব্দীর অপরাহ্ন প্রহরের দাবিই হলো এসব পিশাচদের হাত থেকে বিজ্ঞানের দাসত্ব মুক্তি। অর্থাৎ এর জন্যে চাই মানবিক কল্যাণ বোধের উদার উন্মেষ। তা যদি না হয় যদি বিজ্ঞান স্বার্থপর লোভসর্বস্ব প্রভুত্বকামী মুষ্টিমেয়ের ঘরে কারাবন্দী হয়ে থাকে তবে বিজ্ঞানের সকল সাধনা ও সিদ্ধি হয়ে যাবে মিথ্যে ও অর্থহীন। তাই আমাদের উচিত হবে দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের প্রভাবকে শিমূল তুলোর মতো বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে। উচ্চ-নিচ নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষের কল্যাণে নিবেদন করতে হবে বিজ্ঞানকে।


No comments:

Post a Comment