Search This Blog

Saturday, February 18, 2017

বাংলাদেশের জাতীয় ফুল: শাপলা

বাংলাদেশের জাতীয় ফুল: শাপলা
ভূমিকা:
শাপলার সুগন্ধ না থাকলেও এটি আমার প্রিয় ফুল কারণ এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। এর সৌন্দর্য ও গুণ আমাকে মুগ্ধ করে বলেই এটি আমার প্রিয় ফুল। শাপলা পুকুর, দিঘি, খালবিল ও ডোবায় একা একাই জন্মে। 


কেনো জাতীয় ফুল:
শাপলা বাঙালি জাতির এবং জাতীয় প্রাণের প্রতীক, স্বপ্নের প্রতীক। হতাশাগ্রস্থ কৃষকের মনে আশা জাগানোর জন্য, মন ভুলানো সৌন্দর্য ও উপকারিতার জন্য শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।

উৎপত্তি ও গঠন:
বিনা পরিশ্রমে প্রাকৃতিক নিয়মে পুকুর, দিঘি, খালবিল ও ডোবায় শাপলা জন্মে। বর্ষার মাঝামাঝি থেকে শুরু করে শরৎকাল শেষ হওয়া পর্যন্ত সারা বাংলাদেশে শাপলা বেশি ফুটতে দেখা যায়। লম্বা লকলকে কাণ্ডের মাথায় শাপলাফুল ফোঁটে। এ ফুলে থাকে চারটি বৃতি/বেড়া, পনেরটি উপবৃতি, একগুচ্ছ দল, পুংকেশর, স্ত্রিকেশর, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড। শ্বেতপাপড়ি ও সামান্য হলদে দলমণ্ডল ফুলকে খুব আকর্ষণীয় করে তোলে। 

প্রকরণ:
সাদা, লাল ও নীল-এ তিন প্রকার শাপলা জন্মে। তবে সাদা শাপলা অযত্ন্রে যেখানেসেখানে জন্মে। এই সাদা শাপলাই বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। 

সৌন্দর্য:
জলাশয়ে ফুটে থাকা অসম্ভব সুন্দর শাপলা যখন বাতাসে দোলে তখন পরিবেশ আরো সুন্দর হয়ে ওঠে। জোছনারাতে চাঁদের আলোতে শাপলাকে সুন্দর দেখায়। শাপলা আমাদের বাঙালি জাতির প্রাণের এবং স্বভাবের সাথে মিশে আছে। পল্লির রূপ আরো অপরূপ করে দেয় ফুটন্ত শাপলা। 

উপকারিতা:
শাপলা দিয়ে মালা গাঁথা হয়, এর ঢ্যাপে খই ও মোয়া হয় আর ডাটা দিয়ে তরকারি হয়। ফুল দিয়ে সুস্বাদু বড়া তৈরি করা হয়।

উপসংহার:
শাপলা বাঙালি জাতির এবং জাতীয় প্রাণের প্রতীক। শাপলা ফুলের চাষের প্রচলন হলে এটি যেমন খাদ্যের যোগান দেবে তেমনি সৌন্দর্যের পিপাসাও মিটাবে।


No comments:

Post a Comment