Search This Blog

Monday, February 20, 2017

প্রকৃতি

প্রকৃতি

১. শব্দমূল বা শব্দের যে অংশকে আর ভাঙা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে। প্রত্যয় যুক্তপ্রতিটি মৌলিক শব্দ তথা প্রত্যয় যুক্ত প্রতিটি প্রাতিপদিক ও ধাতুই একেকটি প্রকৃতি। কিন্তু মৌলিক শব্দকে প্রকৃতি বলা যায় না। যখনই সেই শব্দের সঙ্গে বা অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তখনই কেবল নতুন সৃষ্ট শব্দটির মূল শব্দটিকে প্রকৃতি বলা যায়।
অর্থাৎ, প্রত্যয় সাধিত শব্দের মূলশব্দকে বলা হয় প্রকৃতি। কিন্তু শব্দটি থেকে প্রত্যয় সরিয়ে ফেললে, মূলশব্দটিকে তখন আর প্রকৃতি বলা যাবে না।
যেমন- লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর মূলশব্দ যথাক্রমে লাজ,
বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। এখানে, লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলো প্রত্যয়সাধিত (মূলশব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত শব্দাংশ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।) আর এই শব্দগুলোর মূলশব্দ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত। অর্থাৎ লাজ, বড়, ঘর, পড়, নাচ, জিত- এগুলো লাজুক, বড়াই, ঘরামি, পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা শব্দগুলোর প্রকৃতি। কিন্তু আলাদাভাবে উল্লেখ করলে এগুলো আর প্রকৃতি নয়, এগুলো তখন স্রেফ কতোগুলো মৌলিক শব্দ।
২. শব্দ বা ধাতুর মূলকে প্রকৃতি বলে। শব্দের মূল বলতে মৌলিক শব্দকে এবং ধাতুর মূল বলতে সিদ্ধ বা মৌলিক ধাতুকেই সাধারণত বুঝায়। যেমন- দোকানশব্দের মূল দোকান’, ‘ঢাকাশব্দের মূল ঢাকাএবং _/লিখ ধাতুর মূল লিখ্‌’, _/কর ধাতুর মূল কর,’
প্রকৃতি দুই প্রকার। যথা-
1.  নাম-প্রকৃতি
শব্দের মূলকে নাম-প্রকৃতি বলে। নাম-প্রকৃতির আগে বা পরে কিছু যোগ না করলেও এইগলো শব্দ বলে গণ্য হয়। তাবুও বাক্যে ব্যবহার করতে গেলে এ নাম-প্রকৃতির সাথে বিভক্তি চিহ্ন যোগ করতে হয়। যেমন- ঢাকা, দোকান।
অন্যভাবে- প্রাতিপদিকের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রাতিপদিকটিকে নাম প্রকৃতি বলে। যেমন, উপরের লাজ, বড়, ঘর- এগুলো নাম প্রকৃতি।
2.  ক্রিয়া-প্রকৃতি
ধাতুর মূলকে ধাতু-প্রকৃতি বা ক্রিয়া-প্রকৃতি বলে। ধাতু-প্রকৃতি বা ক্রিয়া-প্রকৃতি প্রত্যয় বা বিভক্তিযুক্ত না হয়ে শব্দরূপে ব্যবহৃত হয় না। যে সমস্ত ধাতু শব্দরূপে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়, সে গুলোতে একটি শূন্য প্রত্যয় যুক্ত আছে বলে ধরে নেওয়া হয়। যেমন- লিখ্‌, কর্‌।
অন্যভাবে- ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুটিকে ক্রিয়া প্রকৃতি বলে। যেমন, উপরের
পড়, নাচ, জিত- এগুলো ক্রিয়া প্রকৃতি।


উচ্চারণবিধি

উপসর্গ

তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ

বাংলা উপসর্গ

বিদেশি উপসর্গ

কারকের প্রকারভেদ

কাল

কাল

অতীত কাল

বর্তমালকাল

ভবিষ্যত কাল


বাংলাছন্দ


ণত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান


ধাতু


ধ্বনি 

ধ্বনি পরিবর্তন

পদ পরিচয়


বিশেষ্য পদ

বিশেষণ পদ


সর্বনাম পদ


ক্রিয়াপদ


অব্যয় পদ


পুরুষ [PERSON]

প্রকৃতি


প্রত্যয়


সংস্কৃত প্রত্যয়


কৃৎপ্রত্যয়











শব্দের অর্থমূলকশ্রেণীবিভাগ



দ্বিরুক্ত শব্দ 


সংস্কৃত তথা তৎসম শব্দের সন্ধি




সমাস অনুশীলন


No comments:

Post a Comment